সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশের পাসপোর্ট সেবা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া এবং নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তর বন্দের দাবিতে রিয়াদ প্রবাসী বাংলাদেশি সচেতন মহলের সংবাদ সম্মেলন রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস কার্যালয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের মতবিনিময় সভা। রিয়াদে বাপ্রসাফের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরব ভিশন-২০৩০ এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশী ব্যাবসায়িরা ভিশন ২০৩০-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা।তাদেরই একজন কুমিল্লার কবির মজুন্দার। রিয়াদে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা মানবিক সেবায় এক যুগ, উদযাপনে ‘হাসি’ কুমিল্লার পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সৌদি আরব প্রবাসী লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের সংবর্ধনা প্রদান সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রিয়াদে মুক্তিযুদ্ধ ও হৃদয়ে একাত্তর শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে; নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ; ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান;

ভিশন ২০৩০-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা।তাদেরই একজন কুমিল্লার কবির মজুন্দার।

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ কে ঘিরে বদলে যাচ্ছে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির চিত্র। আর এই পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদি আরবে নিজেদের ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারাও। তেমনই একজন সফল বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কবির মজুন্দার।

এক সময় ছোট পরিসরে সবজির দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন কবির মজুন্দার। সীমিত পুঁজি, নানা প্রতিকূলতা আর কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন নিজের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য।
বর্তমানে তার রয়েছে সুপার শপ, রেস্তোরাঁ, ফিশারিজ সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক।
সৌদি সরকারের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের ফলে ব্যবসা, পর্যটন, বিনোদন, খাদ্য ও বিভিন্ন সেবাখাতে যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক বাংলাদেশি উদ্যোক্তা নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন।

কবির মজুন্দারের মতো উদ্যোক্তাদের সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়। তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হচ্ছে বাংলাদেশিদের, বাড়ছে পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা, পাশাপাশি প্রবাসের মাটিতে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিচিতি।
সম্প্রতি কবির মজুন্দার সুপার শপের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেক ও পিতা কেটে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে উদযাপন করেন। পাঁচ বছরের পথচলায় ক্রেতাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

কবির মজুন্দারের বক্তব্য:
“ছোট পরিসরে শুরু করেছিলাম। ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় হয়েছে। সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি ভাইদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারলে সেটাই হবে আমার বড় অর্জন।”

এই সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন। কবির মজুমদার শপিং মলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
1/ জিয়াউদ্দিন বাবলু
সৌদি আরব আল খারিজের বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা।
2/ নূরে আলম আল খারিজে এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।
3/মোছলেহ উদ্দিন মুন্না
আল খারিজের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।

অতিথিরা বলেন
সবজির দোকান থেকে শুরু করে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়া—কবির মজুন্দারের এই গল্প প্রমাণ করে, সুযোগের সঠিক ব্যবহার, সততা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে প্রবাসের মাটিতেও সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব।

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের এই অগ্রযাত্রা শুধু তাদের নিজেদের জন্য নয়—দেশের অর্থনীতি ও প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের জন্যও তৈরি করছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY themeneed.com