সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
রিয়াদে মানুরী একাদশ বনাম ঘনিয়া একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে কর্মঘন্টা অনুযায়ী পুলিশের বেতন কাঠামো গঠন করার প্রস্তাবনা -গণঅধিকার পরিষদের।। দেশে বর্তমান অর্থনীতির দুরবস্থা!! জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও ১০% প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত শীর্ষক আলোচনা সভা” এর আয়োজন করা হয়। রিয়াদে বর্নিল আয়োজনে এনটিভি’র ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন! টাইগারদের কাছে পাত্তাই পেলেন না পাকিস্তান! শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় বুক চিতিয়ে লড়াই করা সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ -নাজমুল হাসান মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে, প্রধান আসামি মহিন গোপালগঞ্জে স্লোগান দিয়ে এনসিপি’র সমাবেশে হামলা, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ বিচারের আশায় দিন গুনছে পরিবার, তদন্তে নেই কোন অগ্রগতি রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে পাওয়া মরদেহের শরীরে ও পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন! গভীর রাতে চরমোনাই দরবারে নাহিদ’রা চন্দনাইশে গণঅধিকার পরিষদের পথ সভায় বক্তব্য রাখছেন -নুরুল হক নুর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দলকে প্রাইভেট ক্লাবে পরিণত করা হয়েছে – আসিফ আকবর ভোটের মার্কা শাপলা নয়, ইসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে গণঅধিকার পরিষদের বৈঠক।

(৫ অক্টোবর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে ১২টি প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। বৈঠক শেষে প্রস্তাবগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ।

গণঅধিকার পরিষদের ১২টি প্রস্তাব হলো-
১. অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের পরিকল্পনা ও রোড ম্যাপ প্রকাশ করা।
২. যেহেতু সংবিধান ও রাষ্ট্র সংস্কার অভ্যুত্থানের একটি মৌলিক ধারণা ও এ সময়ের অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠেছে, তাই গণহত্যায় জড়িত পতিত স্বৈরাচার ও তার দোসরদের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।
৩. সরকারের কাজের সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে আলোচনার মাধ্যমে দক্ষ কর্মঠ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের পরিসর বাড়ানো।
৪. শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের আমলে দুর্নীতি, লুটপাট করে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া মাফিয়া, অর্থপাচারকারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গত ১৫ বছরে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
৫. সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গত ১৫ বছরে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত দলবাজ, দুর্নীতিবাজদের অপসারণের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি-আধা সরকারি চাকরিতে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নিয়োগের সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি ও নিয়োগ কমিশন গঠন করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সকল নিয়োগ প্রদান।
৬. রদবদলের নামে ডিসি-এসপিসহ পুলিশ ও প্রশাসনে আ.লীগকে পুনর্বাসনকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ।
৭. যুগের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে কর্মমুখী ও গবেষণা নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রণয়নে নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন।
৮. দুদক পুর্নগঠন করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন করা।
৯. যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধাসহ ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে গার্মেন্টস ও পণ্য রপ্তানির সুযোগের সৃষ্টিসহ নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান করে জিটুজি পদ্ধতিতে বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো।
১০. সিটিজেন চার্টার করে দ্রুত সময়ে সব ধরনের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা।
১১. দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ও সংসদের মেয়াদ চার বছর করা।
১২. যেসব দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস নেই সেখানে দূতাবাস সেবা প্রদান ও আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY themeneed.com