বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশের পাসপোর্ট সেবা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া এবং নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তর বন্দের দাবিতে রিয়াদ প্রবাসী বাংলাদেশি সচেতন মহলের সংবাদ সম্মেলন রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস কার্যালয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের মতবিনিময় সভা। রিয়াদে বাপ্রসাফের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরব ভিশন-২০৩০ এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশী ব্যাবসায়িরা ভিশন ২০৩০-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা।তাদেরই একজন কুমিল্লার কবির মজুন্দার। রিয়াদে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা মানবিক সেবায় এক যুগ, উদযাপনে ‘হাসি’ কুমিল্লার পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সৌদি আরব প্রবাসী লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের সংবর্ধনা প্রদান সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রিয়াদে মুক্তিযুদ্ধ ও হৃদয়ে একাত্তর শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে; নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ; ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান;

সৌদি আরব ভিশন-২০৩০ এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশী ব্যাবসায়িরা

সৌদি আরব ভিশন ২০৩০:মানে নতুন বিনিয়োগ নতুন ব্যাবসা আর নতুন কর্মসংস্হান এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশী ব্যাবসায়িরা।

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের ফলে দেশটির অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সুযোগ। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদি আরবে অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও দিন দিন বাড়ছে।

সৌদি সরকারের দেওয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কারণে দেশটিতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। তাদের মধ্যে অন্যতম ” আমিন সাজেদা ট্রাভেল এন্ড টুরিজম ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামিম আল আমিন।

বর্তমানে সৌদি আরবে তার প্রায় ৪ টি শাখা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তিনি।

শামিম আল আমিন মনে করেন, সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ শুধু সৌদি নাগরিকদের জন্য নয়, বরং প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্যও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

তিনি মনে করেন বর্তমান সময়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা সৌদি আরবে আরও বেশি বিনিয়োগ করবেন—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে তার। একই সঙ্গে সৌদি আরবে ব্যবসা করে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন।

তিনি বলেন নতুন ব্যবসা মানেই নতুন কর্মসংস্থান। আর বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের এই ভূমিকা শুধু সৌদি আরবেই নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের এই অগ্রযাত্রা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY themeneed.com