বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিয়াদে মানুরী একাদশ বনাম ঘনিয়া একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে কর্মঘন্টা অনুযায়ী পুলিশের বেতন কাঠামো গঠন করার প্রস্তাবনা -গণঅধিকার পরিষদের।। দেশে বর্তমান অর্থনীতির দুরবস্থা!! জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও ১০% প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত শীর্ষক আলোচনা সভা” এর আয়োজন করা হয়। রিয়াদে বর্নিল আয়োজনে এনটিভি’র ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন! টাইগারদের কাছে পাত্তাই পেলেন না পাকিস্তান! শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় বুক চিতিয়ে লড়াই করা সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ -নাজমুল হাসান মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে, প্রধান আসামি মহিন গোপালগঞ্জে স্লোগান দিয়ে এনসিপি’র সমাবেশে হামলা, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ বিচারের আশায় দিন গুনছে পরিবার, তদন্তে নেই কোন অগ্রগতি রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে পাওয়া মরদেহের শরীরে ও পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন! গভীর রাতে চরমোনাই দরবারে নাহিদ’রা চন্দনাইশে গণঅধিকার পরিষদের পথ সভায় বক্তব্য রাখছেন -নুরুল হক নুর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দলকে প্রাইভেট ক্লাবে পরিণত করা হয়েছে – আসিফ আকবর

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দলকে প্রাইভেট ক্লাবে পরিণত করা হয়েছে – আসিফ আকবর

বিএনপির মিডিয়া সেলের পারফরমেন্স হিমাঙ্কের নিচে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলা সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী আসিফ আকবর। রোববার রাতে আসিফ আকবর তার ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন।‌

আসিফ আকবর লেখেন, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির মিডিয়া সেলের পারফরমেন্স হিমাঙ্কের নিচে, তাদের এই দারিদ্র‍্য অতীতের মত দলকে ভোগাতেই থাকবে। সব সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ বিএনপি নেতারা চাঁদাবাজদের চেনে। বিভিন্ন মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ‍্যমে একসঙ্গে এদের সাংগঠনিক ছবিও পাওয়া যাবে। এখন থেকেই শুরু হোক শুদ্ধি অভিযান।
তিনি লেখেন, অতীতে কেন্দ্রের মনোনয়ন ও পদ বানিজ‍্যের কারণে বিএনপিতে ধনাঢা ব‍্যবসায়ীরা ঢুকে গেছে। এই ব‍্যবসায়ীদের মাসলম‍্যানরাই মূলত চাঁদাবাজ এবং দলীয় পদধারী। বিএনপির মত বৃহৎ রাজনৈতিক দলে ঘুরে ফিরে সব জায়গায় একই চেহারা দেখা যায়, যেমন পুলিশে দেখা যেত বেনজীর, ডিবি হারুন, বিপ্লব, মনিরুল, মেহেদীদের। প্রশ্ন জাগে- বিএনপি কি সিন্ডিকেটের খপ্পরে নাকি নেতৃত্ব সঙ্কটে! শিল্পী আসিফ আকবর আরও লেখেন, সাংগঠনিক যোগ‍্যতা ছাড়াই এমপি মন্ত্রীর ছেলে-মেয়ে এমপি হতে থাকলে তৃণমূল থেকে নেতৃত্ব আসবে না। এই সামন্তবাদী প্রথা থেকে বিএনপিকে বের হতে হবে। শহীদ জিয়ার বিএনপি ছিল সাধারণ মানুষের পার্টি, এই দলকে প্রাইভেটক্লাবে পরিণত করা হয়েছে সিন্ডিকেটের মাধ‍্যমে। এজন‍্যই বারবার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয় বিএনপি। পতিত ফ‍্যাসিস্টের সাথে মার্চ করা ব‍্যবসায়ীরা এখন পলাতকদের অ‍্যাকাউন্টেন্ট। অর্থ‍্যাৎ চোরের মাসতুতো ভাই এখন বিএনপি’র ব‍্যবসায়ী নেতাদের বড় অংশ। তারাই ক্ষমতাশালী।
যে বিএনপিকে ভালোবাসি সে বিএনপি ফিরে আসুক। শহীদ জিয়া অমর হোক, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ভালোবাসা অবিরাম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY themeneed.com