বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিয়াদে মানুরী একাদশ বনাম ঘনিয়া একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে কর্মঘন্টা অনুযায়ী পুলিশের বেতন কাঠামো গঠন করার প্রস্তাবনা -গণঅধিকার পরিষদের।। দেশে বর্তমান অর্থনীতির দুরবস্থা!! জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও ১০% প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত শীর্ষক আলোচনা সভা” এর আয়োজন করা হয়। রিয়াদে বর্নিল আয়োজনে এনটিভি’র ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন! টাইগারদের কাছে পাত্তাই পেলেন না পাকিস্তান! শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সময় বুক চিতিয়ে লড়াই করা সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ -নাজমুল হাসান মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে, প্রধান আসামি মহিন গোপালগঞ্জে স্লোগান দিয়ে এনসিপি’র সমাবেশে হামলা, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ বিচারের আশায় দিন গুনছে পরিবার, তদন্তে নেই কোন অগ্রগতি রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে পাওয়া মরদেহের শরীরে ও পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন! গভীর রাতে চরমোনাই দরবারে নাহিদ’রা চন্দনাইশে গণঅধিকার পরিষদের পথ সভায় বক্তব্য রাখছেন -নুরুল হক নুর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দলকে প্রাইভেট ক্লাবে পরিণত করা হয়েছে – আসিফ আকবর

দেশে বর্তমান অর্থনীতির দুরবস্থা!!

২০২৫ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা আগাম সংকটের বার্তা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ, মূল্যস্ফীতি ও রক্ষণশীল বাণিজ্যনীতির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে, যার বড় প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির ওপর। আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) আয়োজিত ৩০তম বার্ষিক কাউন্সিলে এমন বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বড় ধাক্কার মুখে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে মাত্র ৩.৩ শতাংশ। আইএমএফ ও এডিবি বলেছে, এ হার হতে পারে যথাক্রমে ৩.৮ ও ৩.৯ শতাংশ।

মাহবুবুর রহমান জানান, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, খাদ্যস্ফীতি ১৪ শতাংশ। বিনিয়োগ হ্রাস ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তুলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের শেষে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৪৫ ট্রিলিয়ন টাকা, যার বড় অংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের। ১৯টি ব্যাংক জানিয়েছে ১.৭১ ট্রিলিয়ন টাকার মূলধন ঘাটতির কথা। এ কারণে সরকার ব্যাংক বোর্ড বাতিল, ব্যাংক একীভূতকরণসহ কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটবে এই প্রেক্ষাপটে আইসিসিবি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, তৈরি পোশাক খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারাতে পারে বাংলাদেশ, যার ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যে ১১.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক গুনতে হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা, বাংলাদেশের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ

কাউন্সিলে মাহবুবুর রহমান বলেন, রেড সি সংকট, ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বৈশ্বিক অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলছে। এর মধ্যে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন কৌশলগত প্রস্তুতি।

জ্বালানি নিরাপত্তা: টাকার মান হ্রাস ও আমদানিনির্ভরতার কারণে ব্যয় বেড়েছে। সমাধানে নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ ও অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানের পরামর্শ।

রাজস্ব ঘাটতি: জিডিপির তুলনায় কর আহরণ মাত্র ১০ শতাংশের নিচে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পুনর্গঠনের তাগিদ দেওয়া হয়।

বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৈচিত্র্য: ২০২৩ সালে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৩ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ভিয়েতনামে তা ছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার। ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইটি খাতে জোর দেওয়ার সুপারিশ।

সাইবার নিরাপত্তা: ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারে সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই দ্রুত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ৩৫% শুল্ক: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ও কর্মসংস্থানে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে টাস্কফোর্স গঠনের সুপারিশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY themeneed.com